1 second school

লিভার সিরোসিস কেন হয় – কিভাবে বুঝবেন এবং এর প্রতিরোধ

লিভার সিরোসিস কেন হয়: 1ss

শেয়ার করুন

সূচনা: লিভার একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ আমাদের । এর সঠিক যত্ন নেওয়ার দায়িত্বও আমাদের। আজ আমরা এই পোষ্টে লিভার সিরোসিস কেন হয়, কি করবেন সহ বিস্তারিত জানবো।

লিভার সিরোসিস কেন হয় – why liver cirrhosis

 লিভার সিরোসিস একটি মারাত্মক ও অনিরাময়যোগ্য রোগ। লিভারের নানারকম রোগের মধ্যে এটিকে চূড়ান্ত পর্যায়ের একটি রোগ বলে গণ্য করা হয়। এই রোগে আক্রান্ত হলে যকৃতের ট্রান্সপ্লান্ট বা প্রতিস্থাপন ছাড়া পুরোপুরি আরোগ্য হয় না।

এই কারণে রোগের চিকিৎসার চেয়ে প্রতিরোধের প্রতি গুরুত্ব দেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা।বাংলাদেশে এই রোগে কত আক্রান্ত হয়েছে বলে সঠিক পরিসংখ্যান নেই। তবে ধারণা করা হয়, দেশের হেপাটাইটিস বি ও সি রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা এক কোটির বেশি মানুষ। তাদের পাঁচ থেকে ১০ শতাংশ রোগী লিভার সিরোসিসে আক্রান্ত। সেই হিসাবে দেশে প্রায় ১০ লাখ মানুষ লিভার সিরোসিসে আক্রান্ত বলে ধারণা করা হয়।

লিভার : ফাইল ছবি
লিভার সিরোসিস 

লিভার সিরোসিস মানে কি

যুক্তরাজ্যের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, যখন লিভারের রোগের নানা পর্যায়ের পর কোষগুলো এমনভাবে আক্রান্ত হয় যে, লিভার আর কাজ করতে পারে না, সেই পর্যায়কে লিভার সিরোসিস বলে বর্ণনা করা হয়।

যখন এই রোগে আক্রান্ত হয়, তখন লিভার বা যকৃৎ তার স্বাভাবিক কাজগুলো, যেমন বিপাক ক্রিয়া, রক্ত জমাট বাঁধার উপকরণ তৈরি, ওষুধ ও রাসায়নিকের শোষণ, খাদ্যের পুষ্টি উপাদানের ব্যবস্থাপনা ইত্যাদি করতে পারে না।

লিভার সিরোসিস হলে লিভার বা যকৃতে সূক্ষ্ম সুতার জালের মতো ফাইব্রোসিসের বিস্তার ঘটে। যকৃতে তখন ছোট ছোট দানা বাঁধে। আস্তে আস্তে সেটির বিস্তার ঘটতে থাকে।

ফাইব্রোসিস ছড়িয়ে পড়লে সেখানে আর লিভার নিজেকে পুনরুদ্ধার করতে পারে না, ফলে লিভার সংকুচিত হয়ে পড়ে।

লিভারের সমস্যা হলে কি হয় – what happens if you have liver problems

ন্যাশনাল লিভার ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা ও অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ আলী বলছেন, বি, সি এবং ডি ভাইরাসের আক্রমণে লিভারে প্রদাহের তৈরি হয়। লিভারে প্রদাহের তৈরি করে বলেই একে বলা হয় হেপাটাইটিস, যার ফলে লিভার ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে থাকে।

দীর্ঘদিন ধরে বি ও সি ভাইরাসের আক্রমণে লিভার বা যকৃতের কার্যক্রম সংকুচিত হয়ে যায়, কার্যক্রম আস্তে আস্তে ব্যাহত হয়। এরপর একেই লিভার সিরোসিস বলা হয়ে থাকে।

এ ছাড়া আরও কয়েকটি কারণে লিভার সিরোসিস হতে পারে বলে তিনি জানান।

এরকম একটি বড় কারণ ফ্যাটি লিভার বা যকৃতে চর্বি জমে যাওয়া। দীর্ঘদিন ধরে লিভারে যদি মাত্রাতিরিক্ত চর্বি জমে, তাহলে লিভারের কার্যকারিতা হ্রাস পায়। এক সময় এর ফলেও লিভার সিরোসিস হতে পারে।

লিভার  সিরোসিস:ফাইল ছবি

অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ আলী বলছেন, ”শুধু বাংলাদেশে নয়, সারা পৃথিবীতে ফ্যাটি লিভার আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। আগামী ১৫ বছর পর লিভার সিরোসিসের বড় কারণ হবে ফ্যাটি লিভার। আর এদের অন্তত ২০ শতাংশ লিভার সিরোসিসে আক্রান্ত হতে পারে।”

দেশের বাসিন্দাদের অন্তত ২০ শতাংশ মানুষ ফ্যাটি লিভারে আক্রান্ত বলে সরকারি পরিসংখ্যানে বলা হয়েছে। এদের মধ্যে ১৫ শতাংশের নন-অ্যালকোহলিক হেপাটাইটিস জটিলতা রয়েছে।

এছাড়া দীর্ঘদিন ধরে অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস, শারীরিক পরিশ্রমের অভাব, স্থূলতা, খাদ্যাভ্যাস, রক্তে কোলোরেস্টল ইত্যাদি কারণে ফ্যাটি লিভার হতে পারে।

অতিরিক্ত মদ্যপান, প্রক্রিয়াজাত খাবার, ইচ্ছেমত ওষুধ খাওয়া, রাস্তাঘাটে বিক্রি হওয়া দূষিত পানীয়, ব্যবহার করা বরফ, খোলা শরবত বা ফলের মাধ্যমে যকৃতের রোগ ছড়াতে পারে।

লিভার সিরোসিস আর লিভারের ক্যান্সার এক রোগ নয়। তবে লিভার সিরোসিস থেকে লিভারের ক্যান্সার হতে পারে।

লিভারের সমস্যার প্রাথমিক লক্ষণ ও প্রতিকার – liver cirrhosis symptoms

চিকিৎসকরা বলছেন, লিভার সিরোসিসের শুরুর দিকে তেমন উপসর্গ থাকে না। অনেক সময় পেটের আলট্রাসাউন্ড কিংবা পেটে অস্ত্রোপচার করতে গিয়ে এই রোগটি ধরা পড়ে। জন্ডিসও যকৃতের রোগের একটি লক্ষণ। রক্ত পরীক্ষা, বায়োপসি, সিটি স্ক্যান, এমআরআই ইত্যাদি পরীক্ষার মাধ্যমেও রোগটি শনাক্ত হতে পারে।

ডা. মোহাম্মদ আলী বলছেন, তবে কিছু লক্ষণ দেখা গেলে যকৃতের রোগের বিষয়ে সতর্ক হতে হবে।

যেমন শারীরিক দুর্বলতা, খাবারে অরুচি, পেটে অস্বস্তি, ওজন কমে যাওয়া. অবসাদ ইত্যাদি লক্ষণ দেখা দিলে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে যাবে।

লিভার সিরোসিস হলে পেটে বা পায়ে পানি আসতে পারে, চোখ ও প্রস্রাব হলুদ হতে পারে। অনেকে চেতনা হারিয়ে কোমায়ও চলে যেতে পারেন।

লিভারের ক্ষতি গুরুতর না হওয়া পর্যন্ত সিরোসিসের প্রায়শই কোনও লক্ষণ থাকে না। যখন লক্ষণগুলি দেখা দেয়, তখন এর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে:

ঝুঁকির কারণ – লিভার সিরোসিস কেন হয়

লিভার সিরোসিস থেকে মুক্তির উপায় – how to get rid of liver cirrhosis

 

 লিভার সিরোসিস রোগীর খাবার তালিকা – food list for liver cirrhosis patients

আপনার সিরোসিস ডায়েট আপনার সামগ্রিক স্বাস্থ্য এবং ব্যক্তিগত চাহিদার উপর ভিত্তি করে তৈরি করা প্রয়োজন, তবে কিছু সাধারণ খাদ্যতালিকাগত নির্দেশিকা রয়েছে যা প্রায়শই এই খাদ্য পরিকল্পনাকে রূপ দেয়:3


আপনার খাদ্যের বিষয়বস্তু পরিবর্তন করার পাশাপাশি, আপনার খাওয়ার পরিমাণ পরিবর্তন করতে হতে পারে। লিভারের রোগ আপনার অপুষ্টির ঝুঁকি বাড়িয়ে দিতে পারে, তাই আপনার শরীরের বর্ধিত শক্তির চাহিদা মেটাতে আপনাকে দিনে আরও বেশি ক্যালোরি গ্রহণ করতে হতে পারে।

যদি আপনার লিভারের রোগ থাকে, তাহলে জেনে রাখুন যে প্রোটিন গ্রহণের জন্য সুপারিশগুলি ভিন্ন। লিভারের রোগের উপর প্রোটিনের প্রভাব কিছুটা বিতর্কিত এবং এখনও অধ্যয়ন করা হচ্ছে।

আপনার জন্য সুপারিশকৃত প্রোটিনের সঠিক পরিমাণ নির্ধারণ করতে আপনার স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারী বা একজন নিবন্ধিত ডায়েটিশিয়ানদের সাথে পরামর্শ করতে হবে। প্রোটিন থেকে প্রাপ্ত ক্যালোরিগুলি একটি বৈচিত্র্যময় এবং পুষ্টিকর খাদ্যের একটি অপরিহার্য উপাদান হবে এবং পেশীর ক্ষয় (পাতলা হওয়া) প্রতিরোধের জন্য প্রোটিন গুরুত্বপূর্ণ।

লিভার সিরোসিস এর চিকিৎসা  – liver cirrhosis patient treatment

চিকিৎসকরা যকৃতের রোগে চিকিৎসার চেয়ে প্রতিকারের প্রতি বেশি গুরুত্ব দেন।

বর্তমানে বিশ্বে লিভার সিরোসিসের অনেক আধুনিক চিকিৎসা উদ্ভাবিত হয়েছে। বিশেষ করে হেপাটাইটিস বি-র ক্ষেত্রে শিশুদের জন্মের পরপরই টিকা দেয়ার সুযোগ রয়েছে। প্রাপ্তবয়স্করাও এই টিকা নিতে পারেন।

হেপাটাইটিস সি- থেকে বাঁচতে এক রেজরে একাধিক ব্যক্তির শেভ না করা, রক্ত পরিসঞ্চালন ব্যবস্থা পরীক্ষা করে নেয়া, অরক্ষিত যৌন সম্পর্ক পরিহার – ইত্যাদির মাধ্যমে রক্ষা পাওয়া সম্ভব।

দুষিত পানি, অতিরিক্ত মদ্যপান, খোলা ফলমূলের মতো যেসব কারণে যকৃতের রোগ হয়, সেগুলো এড়িয়ে চলতে হবে।

আরও বিষয় জানতে হলে পড়ুন:

ডায়াবেটিসের লক্ষণ ও প্রতিকার

ডা. মোহাম্মদ আলী বলছেন, ”অনেকগুলো কারণে লিভার সিরোসিস বা লিভারের রোগ হয়ে থাকে। সতর্ক হলে অনেকাংশে এগুলো থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব। বিশেষ করে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখা, শারীরিক পরিশ্রম করা, ওজন নিয়ন্ত্রণে আনা, কোলোস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে আনা, স্থূলতা দূর করা ইত্যাদির মাধ্যমে ঝুঁকি অনেকাংশে কমিয়ে আনা যায়।”

তিনি জানান, বাংলাদেশে এখন লিভার বা যকৃতের উন্নত মানের চিকিৎসা হচ্ছে। বড় শহরগুলোতে তো বটেই, জেলা বা উপজেলা পর্যায়েও চিকিৎসা সহজলভ্য হয়েছে।

”লিভার সিরোসিস হলে সারা জীবন বহন করতে হয়, পুরোপুরি আরোগ্য লাভ হয় না। তবে সঠিক চিকিৎসা ও পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে জটিলতা দূর করা যেতে পারে।” বলছেন ড. আলী।

এই রোগের ক্ষেত্রে সর্বশেষ চিকিৎসা লিভার ট্রান্সপ্লান্ট বা যকৃত প্রতিস্থাপন। বাংলাদেশেই এখন যকৃতের প্রতিস্থাপন সম্ভব হচ্ছে।

তবে ব্যয়বহুল এই চিকিৎসায় বাংলাদেশে ২০ থেকে ২৫ লাখ টাকা খরচ হতে পারে।

cirrhosis patients FAQ – লিভার সিরোসিস কেন হয় FAQ

সিরোসিস রোগীদের ক্ষেত্রে কোনও পরিমাণ অ্যালকোহল নিরাপদ বলে মনে করা হয় না। তাদের সমস্ত অ্যালকোহল ব্যবহার এড়ানো উচিত।

আচ্ছা, কিছু ব্যথার ওষুধ নির্দিষ্ট মাত্রায় গ্রহণ করা নিরাপদ, আবার কিছু নয়। উদাহরণস্বরূপ, আইবুপ্রোফেন এবং ন্যাপ্রোক্সেনের মতো ননস্টেরয়েডাল, প্রদাহ-বিরোধী ওষুধ, সিরোসিস রোগীদের ক্ষেত্রে এড়িয়ে চলা উচিত, কারণ যখন লিভারে ক্ষত হয়, তখন এই ধরণের ওষুধ কিডনির ক্ষতি করার সম্ভাবনা বেশি থাকে। অক্সিকোডোনের মতো মাদকদ্রব্যও ভালো ধারণা নয় কারণ এগুলি সিরোসিসের কিছু জটিলতার জন্য বেশ সমস্যাযুক্ত হতে পারে। অন্যদিকে, অ্যাসিটামিনোফেন গ্রহণ করা নিরাপদ, তবে কম মাত্রায়। সিরোসিসে ব্যথা উপশমের জন্য, আমরা প্রতিদিন দুই গ্রাম পর্যন্ত অ্যাসিটামিনোফেন গ্রহণের পরামর্শ দিই। তাহলে 24 ঘন্টার মধ্যে চারটি অতিরিক্ত শক্তির ট্যাবলেট।

তাই একটি সামগ্রিক স্বাস্থ্যকর খাদ্য খাওয়া গুরুত্বপূর্ণ যা সুষম এবং ফল এবং শাকসবজিতে পরিপূর্ণ। প্রোটিন গ্রহণ করা গুরুত্বপূর্ণ, এবং তা হতে পারে বিন বা ডালের মতো প্রোটিনের স্বল্প উৎস থেকে, এবং লবণের সীমাবদ্ধতাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আপনার খাদ্যতালিকায় লবণের পরিমাণ দিনে মোট দুই গ্রামের কম গ্রহণের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখুন।

যদিও লিভারের রোগে কিছু ভেষজ সম্পূরক, যেমন মিল্ক থিসল, ব্যবহার করা হয়েছে, তবুও এমন কোনও প্রমাণ নেই যে ভেষজ সম্পূরক বা অন্য কোনও বিকল্প থেরাপি কার্যকরভাবে সিরোসিসের চিকিৎসা করতে পারে। তবে, ভেষজ সম্পূরকগুলি লিভারের ক্ষতি করতে পারে, কখনও কখনও লিভারের ব্যর্থতার পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে যার জন্য লিভার প্রতিস্থাপনের প্রয়োজন হয়। তাই আমরা যেকোনো এবং সমস্ত ভেষজ সম্পূরক এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিই।

আচ্ছা, সিরোসিস রোগীদের ক্ষেত্রে টিকা একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা কারণ যখন লিভারে দাগ পড়ে, তখন রোগীদের নির্দিষ্ট সংক্রমণের জটিলতার ঝুঁকি বেশি থাকে। সিরোসিস রোগীদের জন্য, আমরা হেপাটাইটিস এ এবং বি এর বিরুদ্ধে টিকা দেওয়ার পরামর্শ দিই। আমরা সিরোসিস আক্রান্ত সমস্ত প্রাপ্তবয়স্ক রোগীদের জন্য নিউমোকোকাল ভ্যাকসিন, যা সাধারণত নিউমোনিয়া ভ্যাকসিন নামে পরিচিত, সুপারিশ করি। এবং সিরোসিস রোগীদেরও বার্ষিক ফ্লু শট নেওয়া উচিত।

এমন কিছু ঘটনা আছে যেখানে লিভারের ক্ষতি ধীর করা যেতে পারে যদিও সাধারণত সম্পূর্ণ বিপরীত হয় না। উদাহরণস্বরূপ, যদি কোনও রোগীর অ্যালকোহল ব্যবহারের কারণে সিরোসিস হয়, তবে আমরা জানি যে অ্যালকোহল থেকে সম্পূর্ণরূপে বিরত থাকা লিভারের কার্যকারিতা উন্নত করতে পারে। একইভাবে, ওজন হ্রাস ফ্যাটি লিভার রোগের উন্নতিতে সহায়তা করতে পারে। এবং হেপাটাইটিস সি থেকে সিরোসিস রোগীদের লিভার প্রতিস্থাপনের প্রয়োজনের একটি প্রধান কারণ ছিল, কিন্তু এখন আমাদের কাছে ওষুধ, অ্যান্টিভাইরাল ওষুধ রয়েছে যা এটি নিরাময়ে খুব কার্যকর। এমন প্রমাণ রয়েছে যে হেপাটাইটিস সি থেকে মুক্তি পাওয়া ক্ষতির কিছুটা ধীর করতে পারে বা এমনকি কিছুটা বিপরীত করতেও সহায়তা করতে পারে। কিন্তু এমন কিছু ঘটনা আছে যখন লিভারের রোগ খুব বেশি উন্নত হয় এবং চিকিৎসা হস্তক্ষেপ প্রক্রিয়াটিকে বিপরীত করতে পারে না এবং তখনই আমরা লিভার প্রতিস্থাপনের কথা বিবেচনা করি।

বিশেজ্ঞদের মতামত জানতে হলে পড়ুন লিভার সিরোসিস কেন হয়

এতক্ষন আমাদের সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ!

Exit mobile version